দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অবস্থিত মসজিদে সিরাতুল মুস্তাকিম আনসানে বাংলাদেশী আলেম মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের কাছে কালিমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করলেন ২৩ বছর বয়সী এক কোরিয়ান তরুণী।

শনিবার (২৪ মে) মুফতি ফয়জুল্লাহ আমান নিজেই নয়া দিগন্তকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি মসজিদে সিরাতুল মুস্তাকিম আনসানের ইমাম ও খতিব।

আর নওমুসলিমা ওই তরুণীর নাম হানবি ইম। ইসলামে প্রবেশের আগে তিনি কোনো ধর্মেই বিশ্বাস করতেন না।

এ প্রসঙ্গে মুফতি আমান জানান, তরুণীটি কোনো ধর্ম মানতেন না, কিন্তু তার হৃদয়ের গভীরে ছিল এক প্রশ্ন— ‘আমি কে? কেন এই জীবন? সত্য কোথায়?’ এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। এরপর দীর্ঘ অনুসন্ধান, চেতনা, যুক্তি ও হৃদয় মিলিয়ে যেই পথটিকে তিনি সত্যের পথ বলে বিশ্বাস করলেন— সেই পথই ছিল ইসলাম।

ইসলাম গ্রহণের পর হানবি ইম নিজের নতুন নাম রেখেছেন ‘হানা (هناء)’। এ প্রসঙ্গে সিউলের মসজিদে সিরাতুল মুস্তাকিমের খতিব ওই বাংলাদেশী আলেম বলেন, ‘হানা’ একটি অর্থবহ নাম, যার মানে শান্তি, প্রশান্তি ও করুণা— এটি একটি জীবনের নতুন পরিচয়।

কালিমা পড়ার পর পরই নওমুসলিমা হানাকে স্বাগত জানান মুফতি ফয়জুল্লাহ আমান। এরপর তাকে পবিত্র কোরআনের কোরিয়ান অনুবাদ উপহার দেয়া হয়।

মুফতি ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, এই উপহার যেন তার নতুন জীবনের আলোকবর্তিকা হয়, পথপ্রদর্শক হয় এবং এক প্রশান্ত ও আলোকিত ভবিষ্যতের সূচনা ঘটায়। আল্লাহ তায়ালা যেন হানাকে ইসলামের পথে দৃঢ় রাখেন, ঈমান, ইখলাস ও ইস্তিকামার সৌন্দর্যে তার অন্তর ভরিয়ে দেন।