মালয়েশিয়ার শাহ আলমে রাজ্যে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তাতে দেখা যাচ্ছে, এক বাংলাদেশী শ্রমিক তার নিয়োগকর্তার কাছ থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরার জন্য আলাদা করে সময় নিতে বদ্ধপরিকর। এমনকি ডিউটি চলার সময় নামাজ পড়ার দায়ে তার মালিক বেতন কেটে নেয়ার পরও তিনি নামাজ ছাড়েনি। তিনি মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করেন।

দেশটির জাতীয় দৈনিক পত্রিকা সিনার হারিয়ান এ বিষয়ে ওই বাংলাদেশী শ্রমিকের প্রশংসা করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মিস্টার জারিফ সাউথপা নামে এক সোশ্যাল এক্টিভিস্ট তার সোশ্যাল মিডিয়া থ্রেডে এটি শেয়ার করে মালয়েশিয়ানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং যুবকটিকে ‘বাংলাদেশের লাল-সবুজ জাতীয় পতাকার ধারক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তবে সেখানে বাংলাদেশী শ্রমিক ও তার মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য বিষয় বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।

জারিফ আরো বলেন, এই বাংলাদেশী ব্যক্তি সুরাউ মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কোনো ওয়াক্ত বাদ দেননি। তিনি সুন্নাত নামাজও পড়েন।

ওই বাংলাদেশী শ্রমিক ভিডিওতে বলেছিল, তার নিয়োগকর্তা শুক্রবারের নামাজে গেলে তার বেতন থেকে ৭০ রিঙ্গিত কেটে নেন। তার মূল বেতনের ৮০ শতাংশ তার পরিবারকে ভরণপোষণের জন্য পাঠাতে হয়। বাকি টাকা মালয়েশিয়া বসবাসের জন্য ব্যবহার করেন।

তিনি আরো বলেন, এই দুনিয়া প্রধান লক্ষ্য নয়, পরকাল আরো গুরুত্বপূর্ণ। এই পৃথিবীতে তিনি কেবল একজন সাধারণ মানুষ, পরকাল হবে আল্লাহর ইচ্ছায়, তার মর্যাদা অসাধারণ হবে।