ফিলিস্তিনে ইসরাইলের দখলদার বাহিনী কতৃক গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
রোববার (৬ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ বিক্ষোভ সমাবেশ পালিত হয়। এর আগে হলপাড়া থেকে একটি মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি বিজয় একাত্তর হল থেকে শুরু হয়ে ভিসি চত্বর ঘুরে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে শহীদদের মাগফিরাত কামনায় গায়েবানা জানাজার নামাজ পালন করে তারা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহম্মদ বলেন,
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলের আগ্রাসনে ৫০ হাজার নর-নারীসহ শিশুর জীবন দিতে হয়েছে। একটা মুসলিম দেশও এগিয়ে আসেনি। অথচ কথা ছিল এক ভাই যখন জীবন দিবে আরেক ভাই তার সর্বস্ব দিয়ে সাহায্য করবে। কিন্তু সেটি না করে তারা ইসরাইলের সাথে আতাত করে ব্যাবসা-বাণিজ্য করছে মুসলিম বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলো।
তিনি আরো বলেন, এখন গাজায় থাকা সাংবাদিকরা বলছেন, আর কয়েক দিন গাজায় হামলা চললে গাজা পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। এমতাবস্থায় ইন্টেরিম -এর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের নিন্দা জ্ঞাপন করা হয় নাই, এটি অত্যন্ত লজ্জার। আমরা দেখেছি ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেজিমে পাসপোর্ট থেকে এক্সসেপ্ট ইসরাইল শব্দটি উঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এই ইন্টেরিম গর্ভনমেন্ট এ শব্দটি ইনক্লুড করার ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা ইন্টেরিমকে বলতে চাই তারা যেন দ্রুত এক্সসেপ্ট ইসরাইল কথাটি ইনক্লুড করে। সেই সাথে ইসরাইলের যারা মদদ দিচ্ছে তাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করুন।
ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী জনগণের সাথে সংহতি জানিয়ে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনে গাজার শিক্ষার্থীরা সারা বিশ্বব্যাপী নো ওয়ার্ক, নো স্কুল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সেটি সফল করে তুলুন। সেই সাথে পঞ্চাশ হাজার শহীদের মাগফিরাত কামনায় গায়েবানা জানাজা পালন করুন। এছাড়াও আগামী ৮ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু করে বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস অভিমুখে গণপদযাত্রা কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান তিনি। এতে শিক্ষার্থী থেকে জনসাধারণের যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।