ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় দুলা মিয়া রাস্তা ও ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ সড়কের সংযোগস্থলে সুবিশাল জমিতে ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার ফলক উন্মোচন করেন।

আবদুস সাত্তার জানান, ‘স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য প্রায় ১১ একর জমি কেনা হয়েছিল। আইনি জটিলতার কারণে ওই জায়গায় ক্যাম্পাস নির্মাণ করা যায়নি। এজন্য নতুন করে জায়গা কিনে ক্যাম্পাস নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। আগের জায়গাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি স্কুলকলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। মনোরম পরিবেশে খেলার মাঠ থাকবে।’

ড. তবারক উল্যাহ চৌধুরী বায়েজীদ জানান, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে সাত তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন লাভ করে। ‘সেন্টার ফর লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ স্লোগান নিয়ে ২০১৩ সালের ১৫ মে বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। শহরের পুলিশ লাইন সংলগ্ন ৫০ হাজার বর্গফুটের সাত তলার তিনটি ভবনে বেসরকারি উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠা হয়। ফেনী বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের তিনটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে গৃহীত হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির সামাজিক বিজ্ঞান ও কলা, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাণিজ্য বিভাগ নিয়ে ৩টি অনুষদ, ৮টি বিভাগ, গবেষণা কেন্দ্র ও রিসার্চ সেল রয়েছে।’

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সচিব ড. তবারক উল্যাহ চৌধুরী বায়েজীদ, ট্রেজারার মোহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ, সদস্য আলতাফ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত ভিসি মোহাম্মদ আবুল কাশেম, ভারপ্রাপ্ত ট্রেজারার সোহরাব হোসেন, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো: ফরহাদুল ইসলাম ভূঞা, অভিভাবক ও শর্শদি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, ছাত্র প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, সৈকত হোসেন সজীব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পাগলা মিয়া তাকিয় জামেয়া মসজিদের খতিব মাওলানা গোলাম কিবরিয়া।