ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রায় এক বছর আগে হারিয়ে যাওয়া একটি মোবাইল ফোন ফিরে পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী। দীর্ঘ সময় পর হারানো ফোনটি ফিরে পেয়ে ডাকসুর প্রতি বিশেষ করে ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ওই শিক্ষার্থী।
জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে (আশরাফুল ইসলাম, সেশন ২৪-২৫) ওই শিক্ষার্থীর ব্যবহৃত মোবাইলটি হারিয়ে যায়। বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান না পাওয়ায় একপর্যায়ে সেটি ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দেন তিনি। বিষয়টি ডাকসুকে জানালে ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ পুলিশ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং অব্যাহত যোগাযোগ রাখেন। পরে প্রকৃত মালিকানা যাচাই-বাছাই শেষে আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় মোবাইলটি শিক্ষার্থীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, এজিএস মহিউদ্দীন খান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ও ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা এরই মধ্যে প্রায় ডজনখানেক শিক্ষার্থীর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারে সহায়তা করেছি। হারানোর দীর্ঘদিন পর হলেও আজ আরো একজন শিক্ষার্থীর ফোন তার হাতে তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে ডাকসু ভবিষ্যতেও আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।
এজিএস মহিউদ্দীন খান বলেন, একজন শিক্ষার্থী যখন তার প্রয়োজনীয় মুঠোফোন হারিয়ে ফেলেন, তখন সেটি শুধু একটি ডিভাইস হারানোর বিষয় থাকে না; এর সাথে ব্যক্তিগত তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগও জড়িত থাকে। তাই শিক্ষার্থীদের হারানো ফোন উদ্ধারে ডাকসুর পক্ষ থেকে আমরা গুরুত্বের সাথে দেখি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অক্লান্ত পরিশ্রম করে পুলিশের সাথে কমিউনিকেশন করে এই ফোনটা উদ্ধারের জন্য সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসুর মূল লক্ষ্যই হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা এবং তাদের দৈনন্দিন সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখা। প্রায় এক বছর পর একজন শিক্ষার্থী তার হারানো ফোন ফিরে পেয়েছেন; এটি আমাদের জন্যও সন্তোষের বিষয়। শিক্ষার্থীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে ডাকসু প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে। ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা ডাকসুর প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব।