বান্দরবান সংবাদদাতা
বান্দরবানে মাদরাসার ছাত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৯ মার্চ) নারী শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক জ্যৈষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ জিয়াবুন্নেসা এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নুরুল আলমের ছেলে মো: রাশেদ (২৩), মরহুম আব্দুস সালামের ছেলে মো: কায়ছার (২২), হাসান আলীর ছেলে মো: ওমর ফারুক (১৮) ও মো: হানিফ (২৪)। এরা সবাই চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
মামলার রায়ে আসামিদের এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয়মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। এদিকে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মো: কায়ছার কারাগারে থাকলেও অন্য তিন আসামি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মোবাইলফোনের মাধ্যমে মামলার ১ নম্বর আসামি রাশেদের সাথে পরিচয় হয় ডুলহাজারা মারুফিয়া মাদরাসায় অধ্যয়নরত ছাত্রী জুলেহা বেগমের। দীর্ঘদিন মোবাইলফোনে কথাবার্তায় তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ওই ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ২০০১ সালের ৩ জানুয়ারি আসামি রশিদ ও অন্যরা মিলে বান্দরবানের সুয়ালক এলাকার একটি পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে মেয়ের চিৎকারে স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশে দেয়।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী অ্যাডভোকেট মো: ইসমাইল জানান, ‘ধর্ষণের ঘটনাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় জড়িত চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।’