বড়াইগ্রাম (নাটোর) সংবাদদাতা

আদালতের রায়ে জমি না পেয়ে মনের ক্ষোভে নাটোরের বড়াইগ্রাম ও পাবনার চাটমোহর উপজেলার সীমান্তবর্তী গোপালপুর গ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন ও চার শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে কমপক্ষে ছয় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

জানা যায়, চকগোপালপুর গ্রামের মরহুম আব্দুল হামিদের ছোট ছেলে শাহ আলম গোপনে তার পারিবারিক পুকুরের একাংশে ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ জমি বড়াইগ্রামের জোনাইলের চামটা গ্রামের আব্দুল জাব্বারের কাছে বিক্রি করেন। পরে তার সহোদর ভাই সাইদুল ইসলাম বিষয়টি জানতে পেরে জমি ফিরে পেতে আদালতে প্রিয়েমশন মামলা দায়ের করেন।

সম্প্রতি তিনি সে মামলার রায়ে জমি ফিরে পান। পরে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন এবং জমি ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তারা আদালতে ৩ লাখ টাকা জমা দেন। কিন্তু জমির ক্রেতা আব্দুল জাব্বার সে টাকা ফেরত না নিয়ে সোমবার বিকেলে লোকজনসহ সেখানে গিয়ে প্রকাশ্যে পুরো পুকুরের পাড়ে লাগানো চার শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলেন। একই সাথে তারা পুকুরে বিষ দিয়ে সব মাছ মেরে ফেলেন। এতে সাইদুল ইসলামসহ তার ভাইদের কমপক্ষে ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল জাব্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তারা নিজেরাই আমাকে ফাঁসাতে কলাগাছ কেটে ফেলা ও বিষ প্রয়োগে মাছ মারার ঘটনা ঘটিয়েছে।’

এ ব্যাপারে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওলিউর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’