চট্টগ্রামে পুলিশের সাথে সংঘর্ষের মামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরীকে স্বামীসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১২ মে) মধ্যরাতের পর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

জিনাত সোহানার স্বামী মোহাম্মদ ইমরান যুক্তরাষ্ট্র ফ্লোরিডা শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এছাড়া তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

জিনাত সোহানা গত বছরের ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে পুলিশের সাথে চিন্ময় কৃষ্ণ ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে পুলিশ জানিয়েছে। এছাড়া আদালতে জিনাত সোহানাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ সূত্র।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আরিফুর রহমান বলেন, ‘সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বায়েজিদ থানা এলাকার একটি বাসা থেকে জিনাত সোহানা চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি কোতোয়ালী থানার একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তাদেরকে আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর চিন্ময় কৃষ্ণ ব্রহ্মচারীর আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে তার অনুসারীরা আদালত চত্বরে ভিড় করে। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় পুলিশ একটি মামলা করে। ওই মামলায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী লীগ ও ইসকনের ২৯ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়। অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী ওই মামলার অন্যতম আসামি।

জিনাত সোহানা চৌধুরী চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সাবেক সদস্য। তিনি তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং চট্টগ্রাম চেম্বারেরও সাবেক সদস্য বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি ফারমিন গ্রুপের চেয়ারম্যান।