ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পাঁচ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে ৮ গ্রাম। ঝড়ে এসব গ্রামের একাধিক ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন।
সোমবার (২১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধলেরচর, শুকুরহাটা, ব্রাহ্মণ জাটিগ্রাম, বিদ্যাধর, পৌর সদরের কুসুমদি, মিঠাপুর, শ্রীরামপুর ও বাকাইলের ওপর দিয়ে বয়ে যায় এ কালবৈশাখী ঝড়।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকাল ১০টার পর থেকে হালকা দমকা হাওয়া শুরু হয়। তার ঘণ্টা দেড়েক পর শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। উত্তর-দক্ষিণ দিক থেকে হওয়া মাত্র ৫-৬ মিনিটের এ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৮ গ্রাম। এ সময় বেশ কয়েক জায়গায় ঘরের চাল উড়ে যায় এবং গাছপালা ভেঙে পড়ে। এছাড়া ঝড়ে এসব এলাকার মাঠের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
এদিকে ঝড়ের বাতাসে ধলেরচর, ব্রাহ্মণ জাটিগ্রাম ও পৌর সদরের কয়েকটি জায়গার বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে। এতে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গেছে।
আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ বলেন, ‘হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে আমাদের এলাকার বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সকাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।’
ফরিদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম (কারিগরি) সজিব পাল জানান, ‘কালবৈশাখী ঝড়ে আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ৭ থেকে ৮টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিন জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। এছাড়া বিদ্যুতের লাইনের ওপর গাছপালা পড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন সঞ্চালন লাইন মেরামতের কাজ করছে। দ্রুতই সংযোগ চালু করা যাবে বলে আশা করছি।’
আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ‘স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হবে।’