চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদায় একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদল বাড়ির সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুই বাড়ি থেকে নগদ টাকা স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে জানাতে পারেনি ভুক্তভোগী পরিবার।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেল জাকিয়া সুলতানা, চুয়াডাঙ্গা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান, ওসি সাইবার ক্রাইম আনিছুর রহমান, এসআই মুহিত হাসান, এসআই রমেন সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এর আগে, সোমবার (২৭মে) রাত আড়াটার দিকে উপজেলার পুরাতন বাস্তপুর গ্রামের মরহুম জুনাব আলীর দুই ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫০) ও আতিয়ার রহমানের (৪০) বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ওই এলাকা থেকে তিনটি বোমাসাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা, গৃহকর্তা আনোয়ার হোসেন ও আতিয়ার রহমান জানায়, ওই দিন রাত ১টার দিকে ১০ থেকে ১২ জনের একটি ডাকাতদল প্রাচীর টপকে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। প্রথমে একই বাড়ির ভেতরে বড় ভাই আতিয়ার রহমানের ঘরে মুখোশ পরিহিত তিনজন প্রবেশ করে। তারা আতিয়ারসহ তার বাড়ির লোকজনকে অস্ত্র ধারালো হাসুয়া তাদের গলাই ধরে তাদের চোখ ও হাত বেধে ঘরে থাকা ৫২ হাজার নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার লুট করে। পরে একই বাড়ির ভেতরে তাকে সাথে নিয়ে তার ছোট ভাই আনোয়র হোসেনের ঘরের দরজায় গিয়ে তাকে দিয়ে তার বড় ভাই আনোয়ার হোসেন কে ডাকায়। আনোয়ার হোসেন ঘরের দরজা খুললে আরো তিনজন মুখোশ পরিহিত ডাকাত তার ও তার স্ত্রীর গলায় ধারালো অস্ত্র হাসুয়া ধরে তাদেরও চোখ মুখ বেঁধে নগদ ৩০ হাজার টাকা ও স্বর্ণের কানের দুল, চেইন আংটি নিয়ে বাড়ির মেইন গেট খুলে চলে যায়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই ডাকাতি তান্ডব চলে। রাতেই থানা পুলিশ খবর পেয়ে ওই বাড়ির প্রায় ১০০ গজ দূর পিচ সড়কের উপর থেকে তিনটি লাল কসটেপ দিয়ে বোমাসাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করে।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির জানান, বোমা ডিসপোজাল টিমকে খবর দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি মামলার প্রক্রিয়া চলছে ও ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার অভিযানে কাজ করছে পুলিশ।