রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদের বাসায় ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার (১ মে) সকাল ১১ টায় রাবি ভিসির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সমাবেশে সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘কোনো পক্ষকে আমরা দোষারোপ করব না যতক্ষণ পর্যন্ত তদন্ত চলমান। আমরা দেখতে চাই বিপ্লবের ৯ মাস পরে এ প্রশাসন কতটা অ্যাকটিভ হয়েছে। আমাদের একটাই প্রশ্ন সেটা হলো, ক্যাম্পাসের তিন জায়গায় ফাঁড়ি বসিয়ে রেখেও এর ভেতর থেকে কিভাবে ককটেল নিয়ে যায়? প্রশাসনের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে তারা কতটুকু কাজ করেছে এটা প্রশ্ন থেকে যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষকের যদি কোনো নিরাপত্তা না থাকে তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কোথায়? এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে অপরাজনীতি শুরু হয়ে গেছে। আমাদের ১২ ঘণ্টার যে আল্টিমেটাম আমরা চাই এ সময়ের ভেতরে প্রশাসন অনতিবিলম্বে এর তদন্ত করবে। অনতিবিলম্বে এর বিচার করতে হবে।’

আরেক সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব বলেন, ‘গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। প্রশাসনের মধ্যে থেকে আমাদের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার যিনি আমাদের সাথে জুলাই আন্দোলনে কাধে কাধ মিলিয়ে অংশ নিয়েছেন৷ আমরা জানি যে রুয়া নির্বাচনে মাসউদ স্যার পদপ্রার্থী এবং রুয়া, রাকসু নিয়ে যখন আমরা জোর দাবি জানিয়ে আসছি তখনই এমন একটা হামলার ঘটনা ঘটতে দেখা গেল।’

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘রাতে ওই ঘটনার পরপরই স্যার আমাকে কল দিয়েছিলেন, আমি উনাকে বাসা থেকে বের হতে না করেছিলাম। পরে পুলিশ এলে তারা বের হন। তার বাসায় অসুস্থ বাবা, ছোট ছোট বাচ্চা ছিল। তারা সবাই ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পরে। তবে তারা সবাই সুস্থ আছে। তার নিরাপত্তার জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলা হয়েছে। আর আমরা কোনো ক্লু পেলে তাদেরকে লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে পারব।’