পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে দক্ষিণ চট্টগ্রামে বাঁশখালী ইকোপার্ক, আনোয়ারা পারকি সমুদ্রসৈকত পর্যটনস্পটগুলো ছাড়াও সাগর উপকূলে বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে।

আনোয়ারা উপজেলার পারকি চরের পরে রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পরুয়া পাড়া, চুন্নাপাড়া, বাইগ্যার ঘাট, গহিরা উঠান মাঝির ঘাট হয়ে বার আউলিয়া পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে কয়েক কিলোমিটার সমুদ্রসৈকত দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে ছুটির দিনে।

বাঁশখালী খানখানাবাদ, বাহার ছড়া, গন্ডামারা ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্মিত বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে কয়েক কিলোমিটার সমুদ্র উপকূলের স্পটগুলোতে ছুটির প্রতিদিনই দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। এছাড়া সাগর বেষ্টিত পাহাড় ঘনসবুজ অরণ্য বেষ্টিত আনোয়ারা পারকি ও বাঁশখালীর ইকোপার্ক ছাড়াও স্পটগুলোতে উপচে পড়ছে সব বয়সের মানুষের ভিড় দেখার মতো।

সাগরের বিস্তীর্ণ সৈকতজুড়ে আকাশে ভেসে বেড়ায় মেঘের ভেলা, সাগরের গর্জনের সাথে আছড়ে পড়া ঢেউ, সারিসারি ঝাউবন, কোলাহলমুক্ত বিস্তীর্ণ সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে টানে। ঈদের বন্ধ ছাড়াও প্রায় প্রতিদিন দক্ষিণ চট্টগ্রামের এ দুটি পর্যটন কেন্দ্র ছাড়াও অঘোষিত এসব পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল নামে।

বঙ্গোপসাগর পাহাড় বেষ্টিত বাঁশখালীর খানখাবাদ থেকে বাহারছড়ার কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত এবং আনোয়ারা উপজেলার বারশত ও রায়পুর ইউনিয়নের কয়েক কিলোমিটার সমুদ্রসৈকত ঘিরে গড়ে উঠেছে এসব অঘোষিত পর্যটন স্থান।

বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ সৈকত আর নদীর ঘেরা ঘনসবুজ অরণ্য বেষ্টিত দক্ষিণ চট্টগ্রামজুড়ে পর্যটনের হাতছানির মূল কারণ হচ্ছে উপকূলজুড়ে ভাঙন ঠেকাতে গড়ে তোলা হচ্ছে টেকসই বেড়িবাঁধ। আর এই বিস্তীর্ণ বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাগহর উপকূলে ঘিরে ভ্রমণ পিপাসুদের আনাগোনা প্রতি বছরই বাড়ছে।