সাংবাদিকদের আর্থিক ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠাসহ ২১ দফা দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন ও সাংবাদিক সমাবেশ হয়েছে।
শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরপিইউজে) আয়োজনে এ মানববন্ধন ও সাংবাদিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। রংপুর মহানগরসহ আট উপজেলার দু‘শতাধিক গণমাধ্যমকর্মী বৃষ্টিতে ভিজে মানববন্ধনে অংশ নেন।
আরপিইউজে সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল মান্নানের সঞ্চালনায় মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের সদস্য সচিব লিয়াকত আলী বাদল, দৈনিক মায়াবাজারের সম্পাদক সুশান্ত ভৌমিক, সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী, রংপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুব রহমান হাবু, আরপিইউজে সিনিয়র সহ-সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক বাদশাহ ওসমানী, কোষাধ্যক্ষ ও যুগ্ম আহ্বায়ক মমিনুল ইসলাম রিপন, সদস্য সচিব হুমায়ন কবীর মানিক, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল শাহীন, রংপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য একেএম ময়নুল ইসলাম, রংপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক শিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আফজাল, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, আরপিইউজে দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল, কার্যকরী সদস্য কামরুল ইসলাম চুন্নু, অনলাইন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশেনের আহ্বায়ক আতিক হাসান ও সদস্য খুশবু আহমেদ রনি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সাঈদ, মাহিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি বাবলু নাগ, সদর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন মখদুমী, মিঠাপুকুর প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফিজুর রহমান, কাউনিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি লুৎফর লোহানী শ্যামল, বদরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আলতাব হোসেন দুলাল, পীরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবদুল হাকিম ডালিম, পীরগাছা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তাজরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী শহিদুল ইসলাম, পীরগাছা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক আব্দুল আলীম প্রামাণিক, শ্যামপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি শামসুজ্জামান প্রমুখ।
এসময় সাংবাদিক নেতারা বলেন, “আর্থিক নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় ’নো ওয়েজ বোর্ড নো মিডিয়া‘ নীতি কার্যকর, সাংবাদিকদের সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ও দশম ওয়েজ বোর্ড গঠন, সাংবাদিক সুরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন, সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ছুটি দু’দিন নির্ধারণ, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনিসহ সব সাংবাদিক হত্যার বিচার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতাবিরোধী সব কালাকানুন বাতিল, আইন অনুযায়ী সাংবাদিকদের ন্যায্য পাওনা আদায়ের জন্য পৃথক শ্রম আদালত স্থাপন, সংবাদপত্র, অনলাইন, টেলিভিশন, রেডিও এবং মাল্টিমিডিয়ার জন্য অভিন্ন ওয়েজ বোর্ড গঠন, সংবাদপত্রের ওপর আরোপিত করপোরেট ট্যাক্সের উচ্চহার ২৭ দশমিক পাঁচ শতাংশ থেকে কমানোসহ ২১ দফা দাবি অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।”
বক্তারা বলেন, ‘এসব দাবি মানা না হলে প্রয়োজনে লংমার্চ টু যমুনা কর্মসূচি পালন করবেন সাংবাদিকরা।