উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সিলেটের সর্ববৃহৎ বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে জাতীয় ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসে এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘সমন্বিত পুনর্বাসনে চাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা’।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর কে এম মুইজের সভাপতিত্ব এবং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা: ফওজিয়া সোবহানের পরিচালনায় র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আবেদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর কে এম দাউদ।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সৈয়দ মোশাররফ হোসেন, প্রফেসর সাইরাস শাকিবা, অ্যানেস্থেশিয়া বিভাগের প্রধান প্রফেসর আব্দুর রশিদ, ডেন্টাল সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা: শফিকুল আলম তালুকদার, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা: মুইজ উদ্দিন চৌধুরী লিজু, ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা: মোস্তাক আহমদ রুহেল, সার্জারি বিভাগের প্রফেসর সায়েক আজিজ চৌধুরী, প্রফেসর ডা: পারভীন আক্তার, মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর বিদিত রঞ্জন দেব, ডা: সাদিয়া মালিক চৌধুরী, চক্ষু বিভাগের ডা: কামরুল ইসলাম চৌধুরী, চর্ম ও যৌন বিভাগের ডা: তৌহিদুল ইসলাম ইমদাদ ও ডা: ইকবাল আহমদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা: অদিতি দেবনাথ, সহকারী রেজিস্ট্রার ডা: মোহাম্মদ ফজলুল হক সোহেল, আইএমও ডা: নাফিসা জুবায়ের, ডা: সালওয়া সালসাবিল স্বপ্নিলা ও ডা: তাসনিয়া তারান্নুম তোহা চৌধুরী। র্যালিতে মেডিক্যালের বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আবেদ হোসেন বলেন, ‘সম্মিলিত চিকিৎসা প্রচেষ্টায় রোগীর শারীরিক কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। এর ফলে স্বাধীনভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। জাতীয় ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন দিবসের মাধ্যমে শারীরিক পুনর্বাসন চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরা এবং এর আরো উন্নতির জন্য বিভিন্ন গবেষণা ও ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা হয়। যা রোগীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করে।’