নোয়াখালীর সদর উপজেলায় নিখোঁজের দু’দিন পর শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংক থেকে আব্দুল হামিদ রায়হান (১৭) নামে এক স্কুলশিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার সাথে জড়িত একই বাড়ির মারুফকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে গ্রেফতার হওয়া ওই আসামি নোয়াখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মর্মে ১৬৪ ধারা অনুযায়ী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।
জানা গেছে, উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী বাড়ির কৃষক আলমগীরের ছেলে এবং স্থানীয় খলিফারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র রায়হান গত মঙ্গলবার রাতে ঘর থেকে মসজিদে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্র রায়হান নিখোঁজ হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ হুগলি গ্রামের নাপিত বাড়ির সেফটি ট্যাংক থেকে রায়হানের লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, রায়হানকে হত্যার পর মোবাইলে নিহতের পরিবারের কাছে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে একই বাড়ির মো: সেলিমের ছেলে মারুফ। ওই কল লিস্টের সূত্র ধরে পুলিশ আসামিকে আটক করে, তার দেয়া তথ্য মতে সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রায়হান বাড়ি থেকে নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে মারুফ ডাব পাড়ার কথা বলে রায়হানকে বাড়ির পাশের নাপিত বাড়ির বাগানে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে সেখানে আরো তিন থেকে চারজন যুবকসহ রায়হানের চোখের ওপর চুরিকাঘাত ও মারধর করে তাকে হত্যা করে লাশ চৌশাগারের সেফটি ট্যাংকে ফেলে দেয়।
সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপরে থানায় মামলা করা হয়েছে। আসামি নোয়াখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদুল হকের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দেন।