নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে যুবলীগের এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিক এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি। পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক রেশ ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আজ শনিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে, শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চরপাবর্তী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাফেজ আব্দুর রহীম এতিমখানার সামনে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

আব্দুল কাদের মিলন (৩৫) উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আমিন মাঝি বাড়ির মো: ইসমাইলের ছেলে।

নিহতের ছোট ভাই আব্দুর রহীম রাকিব জানান, শুক্রবার রাতে তার ভাই মিলন এবং আমি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় পাশের ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় তার অসুস্থ শালাকে দেখতে যান। রাত ৯টার দিকে সেখান থেকে ফেরার পথে কোম্পানীগঞ্জের চৌধুরীহাট বাজার এলাকায় আমাদের সিএনজি পৌঁছলে দুই থেকে তিনটি মোটরসাইকেলের আরোহী আমাদের সিএনজিকে ফলো করে আমাদের ধাওয়া করে। সিএনজি চরপাবর্তী ইউনিয়নের হাফেজ আব্দুর রহীম এতিম খানার সামনে পৌঁছলে আমাদেরকে তারা ধরে ফেলে। পরে আমার কাছ থেকে তাকে আলাদা করে আমার ভাইকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে।

তিনি আরো বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রথমে আমার ভাইকে হামলাকারীদের থেকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরে সেনাবাহিনী এসে তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। উন্নত চিকৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।