শিলাবৃষ্টির সাথে কালবৈশাখীর তাণ্ডব দেখল রংপুরবাসী। এতে বাড়িঘর, গাছগাছালির ক্ষতির পাশাপাশি উঠতি বোরো, ভুট্টা এবং আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিচ্ছিন্ন থাকে বিদ্যুৎব্যবস্থা।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত ১০টা ২৫ মিনিট থেকে ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত চলে বৃষ্টির সাথে ঝড়ো হাওয়ার এই তাণ্ডব।
প্রথমে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া। এ সময় প্রচুর ধুলা উড়তে দেখা যায় নগরীতে। গাছের পাতা ঝরে পড়ে মাটিতে। প্রায় ১৫ মিনিটের ঝড়ো হাওয়ার পর শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। সাথে কালবৈশাখী ঝড়। বিদ্যুৎব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অন্ধকারে ছেয়ে যায় পুরো নগরী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালবৈশাখীর তাণ্ডবে উপড়ে পড়ে গাছ-গাছালি, উড়ে যায় টিনের চাল। শিলাবৃষ্টিতে উঠতি বোরো ধান, ভুট্টা ও আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত চলে এই ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির তাণ্ডব।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, এ সময় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২০ মিলিমিটার। বাতাসের গতিবেগ ছিল ৮ নটিকেল মাইল। বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঝড়-বৃষ্টিতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে রংপুরের ডিসি মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল জানিয়েছেন, কালবৈশাখীর ঝড়ে কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা সেগুলো খতিয়ে দেখতে স্থানীয়দের পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তারা কাজ শুরু করেছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে বলা যাবে।