সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ করিম শরীফ বাহিনীর ২ সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এইচ এম এম হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গেল সোমবার বিকেল ৫টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা কর্তৃক সুন্দরবনের শিবসা নদী সংলগ্ন আদাছগী এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করে ওই এলাকা থেকে দু’টি একনলা বন্দুক, একটি শর্ট গান, একটি খেলনা বন্দুক, অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামাদি, ২৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২০৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, নয়টি দেশীয় অস্ত্র, চারটি কুড়াল, সাতটি করাত, ১০টি রড, পাঁচটি হাতুড়ি, একটি সোলার, ২৮টি মোবাইল, ১১টি ওয়াকি টকি চার্জার এবং দু’টি কাঠের নৌকাসহ সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর অন্যতম দুই সহযোগী মো: সাদ্দাম খান (২০) এবং আব্বাস মোল্লাকে (৪০) আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিদ্বয় বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ থানার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটক আসামিরা দীর্ঘদিন যাবৎ কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফের সাথে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহ করে সহযোগিতা করে আসছিল।
তিনি আরো বলেন, কোস্ট গার্ডের এ ধরনের সাড়াঁশি অভিযানের ফলে সুন্দরবন অঞ্চল ধীরে ধীরে জলদস্যু ও ডাকাতমুক্ত হয়ে উঠছে। এই অভিযানের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার জেলে ও মাছ শিকারীরা এখন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী টহল কার্যক্রম এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে এসব অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে।
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ডের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান কোষ্ট গার্ডের এ কর্মকর্তা।