গাজীপুরে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনায় রংপুরের এনসিপি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে।
রোববার (৪ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর প্রেসক্লাবের সামনে হাসনাতের ওপর হামলার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।
এ সময় বিক্ষোভটি জাহাজ কোম্পানি মোড়, পায়রা চত্বর, সুপার মার্কেট মোড়, কৈলাশরঞ্জণ মোড় হয়ে আবারো প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ‘তুমি কে আমি কে, হাসনাত হাসনাত,’ ‘বিপ্লবীদের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে,’ ‘নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ, আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ।’ ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, আওয়ামী লীগ নো মোর,’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর মহানগর আহ্বায়ক ইমদিয়াজ আহমেদ ইমতি জানান, ‘হাসনাত ভাইয়ের ওপর আওয়ামী লীগ হামলা চালিয়েছে। এই আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। হামলাকারীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করতে হবে। প্রশাসনের শক্ত ভূমিকা দেখতে চাই আমরা।’
এনসিপির রংপুর জেলা ও মহানগর সংগঠক আলমগীর নয়ন বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাসনাতের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে রংপুর থেকে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব।’
শেখ রেজওয়ান বলেন, ‘হাসনাতের ওপর হামলার দায় সরকারের। সরকার আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে ঢেলে সাজাতে পারেনি। এখনো আওয়ামী লীগের লোকজন রন্ধ্রে রন্ধ্রে বসে আছে। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে আমরা রংপুর থেকে ব্লকেড কর্মসূচিতে যাব।’
বিক্ষোভে অংশ নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সানজিদা জানান, ‘আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী দল। তারা হাসনাতের ওপর হামলা করেছে। এ ঘটনা আমরা বিপ্লবীরা মানব না। আমরা এর বিচার চাই।’
যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আসাদুল্লা গালিব বলেন, ‘আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই, নয় মাস পরও বিপ্লবীদের গায়ে আঘাত কেন? এখন পর্যন্ত কেনো তারা বিপ্লবীদের নিরাপত্তা দিতে পারছেন না। আমরা এখনো আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ এবং তাদের বিচারিক প্রক্রিয়ার দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে দেখি নাই। বিপ্লবীরা আপনাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে। আপনাদের ওপর আস্থা রাখতে চাই। আমরা চাই বিশেষ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন। দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন।