বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত মানিক হত্যা মামলায় রংপুর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও শ্রমিক লীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজুকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। এছাড়া ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে আহত জয়নাল আবেদীন বাপ্পি হত্যাচেষ্টা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান জনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২ এপ্রিল) ভোররাতে আলাদা অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো: মজিদ আলী জানান, ১৯ জুলাই মর্ডান মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন গুলিতে নিহত অটোচালক মানিক মিয়া হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি ছিলেন মিজানুর রহমান মিজু। তিনি রংপুর সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ওই ওয়ার্ডের শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক।
অন্যদিকে, একই সময়ে নগরীর গনেশপুরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী আসাদুজ্জামান জনিকে। তিনি ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে আহত জয়নাল আবেদীন বাপ্পি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি।
মহানগর পুলিশ কমিশনার আরো জানান, ৫ আগস্টের পর তারা দুজনই পলাতক ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে অন্য একটি রাজনৈতিক সংগঠনে যোগ দানের চেষ্টা করছিলেন মিজু। রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমাতে রংপুর সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগের যে কয়েকজন কাউন্সিলর পরিকল্পনা অর্থ এবং হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম মিজু। আর জনি প্রত্যেকটি আন্দোলনে অস্ত্রসহ হামলা চালিয়েছিলেন। এছাড়াও জনি মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেনের আশীর্বাদ পুষ্ঠু বলেও জানান তিনি।
বিকেলে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।