অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী বলেছেন, পাহাড়ের ক্ষুদ্র সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের নাম থেকে ক্ষুদ্র শব্দটি বাদ দেয়ার বিষয়টি চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র শব্দটি উচ্চারণ করতে আমাদের অস্বস্তি লাগে। আমরা বৃহত্তর পরিসরে সবাই একসাথে মিলে দেশের জন্য কাজ করতে চাই।’
বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৯টায় বান্দরবান শহরের রাজার মাঠে মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ সাংগ্রাই উৎসবের অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেয়ার সময় উপদেষ্টা এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, ‘আমি যতদিন দায়িত্বে আছি ক্ষুদ্র শব্দটি বাদ দেয়া হবে।’
ঢাকায় এবার বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বৃহত্তর পরিসরে সব জাতি-গোষ্ঠী নিয়ে অনুষ্ঠান করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সব জাতিগোষ্ঠী মিলে দেশের জন্য একসাথে কাজ করে যাচ্ছি। আগে পরিচয় নিয়ে বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। নিজেদের মধ্যে আত্মপরিচয় নিয়ে দূরত্ব সৃষ্টি করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে আমরা সবাই মিলে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই।’
বর্ষবরণ সাংগ্রাই উৎসবে বান্দরবানের রাজার মাঠের অনুষ্ঠানে উৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দসহ মারমা সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন। শুক্রবার শহরের রাজার মাঠের বর্ষবরণ সাংগ্রাই অনুষ্ঠানে পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
বান্দরবানে গত এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন পাড়ায় ও শহরের রাজার মাঠে মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে জলকেলি, পিঠা তৈরি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন হচ্ছে।