চট্টগ্রামে অন্য মামলায় আটক করা আসামির রিমান্ডে দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশ সম্প্রতি চুরি যাওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত মো: আবিদ হোসেন শ্রাবণের (২২) বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানায় আগে থেকে আরো ১৯টি মামলা রয়েছে।
জানা যায়, মোহাম্মদ নোমান (২৭) নামে এক চাকরিপ্রত্যাশী যুবক তার ভগ্নিপতির দেয়া হোন্ডা ট্রিগার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-৩৫-৯৮৩৮) ব্যবহার করতেন। গত ৮ এপ্রিল দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ শাহজাহান হাউজিং সোসাইটির কামাল ম্যানশনের সামনে মোটরসাইকেলটি রেখে এক ছাত্রকে পড়াতে যান। বিকাল ৪টার দিকে ফিরে এসে দেখেন মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই। এ ঘটনায় তিনি ১৩ এপ্রিল পাঁচলাইশ মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মো: আবিদ হোসেন শ্রাবণকে শনাক্ত করে। শ্রাবণ আগে থেকেই পাঁচলাইশ থানার অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে পুলিশ রিমান্ডে ছিল। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শ্রাবণ ৮ এপ্রিল মোটরসাইকেলটি চুরির কথা স্বীকার করে এবং জানায়, সে তার সহযোগীদের নিয়ে এটি চুরি করেছে। বর্তমানে মোটরসাইকেলটি হাটহাজারী থানার ধোপপুল এলাকায় ডিজে মুন্নার সাউন্ডের দোকানের সামনে রাখা আছে।
শ্রাবণের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঁচলাইশ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমানের নেতৃত্বে একটি দল ১৪ এপ্রিল রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে হাটহাজারীর ওই স্থানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে শ্রাবণের দেখানো মতে লাল রঙের চোরাই হোন্ডা ট্রিগার মোটরসাইকেলটি উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটির আনুমানিক বাজার মূল্য এক লাখ ৭২ হাজার টাকা।
পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, গ্রেফতার হওয়া আবিদ হোসেন শ্রাবণের বিরুদ্ধে ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, হালিশহর, কোতোয়ালী, চকবাজার, আকবরশাহ, বন্দর এবং পাঁচলাইশ থানায় চুরি, দস্যুতা ও খুনের চেষ্টার অভিযোগে মোট ১৯টি মামলা রয়েছে। সর্বশেষ মোটরসাইকেল চুরির মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে যথাযথ আইনিব্যবস্থা নেয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।