বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে মুখরিত হয়ে থাকছে চারদিক। বৃষ্টির দিনের সাথে কদম ফুলের সঙ্খতা রয়েছে। বৃষ্টির সময়ের ঐতিহ্যবাহী ফুল এটি। গুচ্ছ গুচ্ছ কদম ফুলের উপস্থিতি দেখা যায়। কদম ফুলকে বর্ষার স্মারকও বলা হয়ে থাকে। কদম নামটি এসেছে সংস্কৃত কদম্ব থেকে।
ঐতিহ্যবাহী এ কদম ফুল গাছ গ্রামবাংলার পথের পাশে, নদীর ধারে বেড়ে ওঠে। কাদামাটির মধ্যেও এই গাছ বেঁচে থাকে। কখনো কখনো অবহেলায়ও বেড়ে ওঠে। সেই কদম ফুলই বৃষ্টির সময় চোখ জুড়িয়ে দেয় প্রকৃতির বুক। এর গন্ধ সুশোভিত করে তোলে দেহ-মন সারাক্ষণ। প্রেমিক-প্রেমিকার মনে সুর খেলে যায়। হৃদয়ে গেয়ে ওঠে, ‘আজ ঘন ঘন বরষায় মুখরিত সব দিক, কদম ফুলের গন্ধে প্রকৃতি যেন ব্যাকুল।’
কদম ফুলের উপকারিতার পরিধিও বিশাল। কদম গাছের বাকল জ্বরে উপকারী।
কদম ফুল অসংখ্য ফুলের গুচ্ছ। এ ফুল ফোটা গাছ দেখতে খুবই মনোরম। সাদা, হলুদ আর সবুজ মিলে এই ফুলটি গ্রাম, শহর, বন্দর সবার নজর কেড়ে নেয় সব সময়। প্রকৃতির বুকে দান করে স্নিগ্ধতা। সাহিত্য ক্ষেত্রেও কদম ফুলের পদচারণা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
লেখক : নাইমুল রাজ্জাক