শিরোপার দৌড় বেশ ভালো জমে উঠেছে বার্সেলোনা আর রিয়াল মাদ্রিদের সামনে। বার্সা কিছুটা এগিয়ে থাকায় খানিকটা চাপে রিয়াল, পা ফসকালেই সব শেষ। তাই লেগানেসের বিপক্ষে কোনো ভুল করেনি তারা।

পা হড়কালেই লিগ শিরোপা জয়ের দৌড়ে পিছিয়ে পড়তে হবে, এমন কঠিন সমীকরণ থেকে শনিবার (২৯ মার্চ) রাতে প্রত্যাশিত জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৩-২ গোলে জয় তুলে নিয়েছে তারা।

এই জয়ে বার্সার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে রিয়াল। দু’দলেরই পয়েন্ট এখন সমান ৬৩ করে। কিন্তু ২৯ ম্যাচ খেলা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলায় এগিয়ে কাতালান ক্লাবটি, শীর্ষস্থানও তাদের দখলেই।

সান্তিয়ানো বার্নাব্যুতে ৩২ মিনিটে এমবাপ্পের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। আর্দা গিল ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় তারা। তবে এগিয়ে যাওয়ার স্বস্তি বেশিক্ষণ ছিল না।

ব্যবধান কমাতে এক মিনিটও লাগেনি সফরকারীদের, গার্সিয়ার গোল ব্যবধান ১-১ করে। সমতায় ফেরা দলটি প্রথমার্ধে লিডও নিয়ে নেয়। বার্নাব্যুকে স্তব্ধ হয়ে যায় ৪১ মিনিটে অস্কার রদ্রিগেসের পাস থেকে দানি রাবা গোল করলে।

পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গেলেও কিন্তু জয়টা রিয়ালের ভাগ্যেই লেখা ছিল। বেলিংহ্যামের নৈপুণ্যে দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে সমতায় ফেরে তারা।

তার প্রথম জোরাল শট গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে আটকানোর পর, ফিরতি বলেও জাল খুঁজে নিতে পারেননি দিয়াস। তবে ফের ফিরতি বল নাগালে পেয়ে এবার আর ভুল করেননি বেলিংহাম।

৫৫ মিনিটে আবারো এগিয়ে যেতে পারতো রিয়াল। কিন্তু এমবাপ্পের বক্সের বাইরে থেকে নেয়া শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক, বল তার হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। তবে সেই এমবাপ্পের হাত ধরেই আসে জয়।

৭৬তম মিনিটে অসাধারণ এক গোলে দলকে ফের এগিয়ে নেন এমবাপ্পে। ডি-বক্সের একটু বাইরে থেকে বুলেট গতির ফ্রি-কিকে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। তাতে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল।

যা ছিল রিয়ালের হয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের ৩৩তম গোল, যা এই ক্লাবের হয়ে রোনালদোর অভিষেক মৌসুমের গোলসংখ্যার সমান। তবে এমবাপ্পের সামনে সুযোগ আছে রোনালদোকে ছাপিয়ে যাবার।