শুরুতে এগিয়ে গিয়েও জয়টা যেন হাতছাড়া হতে বসেছিল রিয়াল মাদ্রিদের। তবে শেষ মুহূর্তে এসে কার্লোস এস্পি সব হিসাব পাল্টে দেন। তার দারুণ গোলেই এস্পানিওলের মাঠ থেকে ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লস ব্লাঙ্কোজরা।

শনিবার রিয়ালের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। ম্যাচের নবম মিনিটেই আর্দা গিলের ফ্রি কিক থেকে ভেসে আসা বল ভিড়ের মাঝে লাফিয়ে হেডে জালে পাঠান জুড বেলিংহ্যাম। শুরুতেই এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

তবে প্রথম ২৫ মিনিটের পর ম্যাচের চিত্র বদলাতে থাকে। পাল্টা আক্রমণে উঠে আসতে শুরু করে এস্পানিওল। আর ৩০তম মিনিটে ঠান্ডা মাথায় শটে থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন আলেক্স কালাত্রাভা।

লা লিগায় নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই গোলের খাতা খোলেন ২৬ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ উইঙ্গার। তার গোলেই সমতা ফেরে ম্যাচে। আর সমতা ফেরার পর দুই দলই বারবার সুযোগ তৈরি করে। তবে ফল আসছিল না।

বিরতির আগে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও রবার্তো ফার্নান্দেস সুযোগ পেলেও গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধেও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। বেলিংহ্যামের জোরাল হেড দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন এস্পানিওলের গোলরক্ষক।

সময় যত গড়াচ্ছিল, ততই বাড়ছিল রিয়ালের অস্বস্তি। আক্রমণে ভিনিসিউস বারবার চেষ্টা করলেও শেষ পাস কিংবা শটে হচ্ছিল না কাঙ্ক্ষিত সমাপ্তি। ৭৮তম মিনিটে ফেদে ভালভের্দের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসায় হতাশা আরো বাড়ে।

এরপর আসে মরিনহোর বড় সিদ্ধান্ত। ৮০তম মিনিটে বেলিংহ্যামকে তুলে মাঠে নামানো হয় তরুণ ফরোয়ার্ড কার্লোস এস্পিকে। আর মাত্র ১০ মিনিটের মাঝেই নিজের অভিষেককে স্মরণীয় করে ফেলেন তিনি।

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিট। এমবাপ্পে ডি-বক্সে বল হারালে মুহূর্তেই সুযোগটি কাজে লাগান এস্পি। দ্রুত ছুটে গিয়ে বল নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরাল শটে বল পাঠান জালে।

আর সেই গোলেই কঠিন এক ম্যাচ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরে রিয়াল মাদ্রিদ। আর এই জয়ে লা লিগার নতুন মৌসুম শুভ সূচনা শুরু করল জোসে মরিনহোর দল।