সাধ্যের সবটা দিয়েই চেষ্টা করলো বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখতে ছিলো বদ্ধপরিকর। তবে শেষ পর্যন্ত পেরে উঠেনি, প্রথম লেগের দৃঢ়তায় চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে উঠে গেছে বার্সেলোনা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মঙ্গলবার রাতে ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ লড়াই চালিয়েছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। দ্বিতীয় লেগে জয়ও পেয়েছে তারা, বার্সাকে হারায় ৩-১ গোলে। তবে প্রথম লেগে ৪-০ গোলে হেরে যাওয়া কাল হয়েছে তাদের।
দুই লেগ মিলিয়ে পিছিয়ে থাকায় সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়া হলো না বরুশিয়ার। ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল বার্সা। তাতে পাঁচ মৌসুম আর ছয় বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলো কাতালানরা।
সিগনাল এদুনা পার্কে হানসি ফ্লিকের দলকে বড় ঝড়ই সামাল দিতে হয়েছে। ম্যাচের ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় বরুশিয়া। গোলকিপার ভয়েচেক সেজনির ফাউল করলে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সেরহু গিরাসি।
এগিয়ে যাবার পর আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে স্বাগতিকেরা। তবে গোল আসেনি। যেখানে বার্সা ছিল বিপরীত।প্রথমার্ধে গোলের জন্য মাত্র একটি শট নিতে পারে তারা। যেখানে এই সময়ে ডর্টমুন্ডের ১০টি শটের সাতটি লক্ষ্যেই ছিল।
বিরতির পরপরই ব্যবধান দ্বিগুণ করে ডর্টমুন্ড। ৪৯তম মিনিটে কর্নারে রামির হেড পাসে কাছ থেকে হেডেই নিজের দ্বিতীয় গোল করেন গিরাসি। তবে ৫৪তম মিনিটে রামির ভুলে গোল আত্মঘাতী গোল হজম করে ডর্টমুন্ড। তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-১।
৭৫ তম মিনিটে ফের ব্যবধান বাড়ায় বরুশিয়া। হ্যাটট্রিক পূরন করেন গিরাসি। বার্সার রোনাল্দ আরাউহো বক্সে বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে, দারুণ শটে গোলটি করেন তিনি।
দুই মিনিট পর ইউলিয়ান ব্রান্ডট বার্সেলোনার জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল মেলেনি। বাকি সময়েও আর তেমন কিছু ঘটেনি। ফলে বরুশিয়া জিতে যায়। তবে হেরে যায় সেমিফাইনালের দৌঁড়ে।
২০১৯ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠল বার্সেলোনা। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বায়ার্ন মিউনিখ অথবা ইন্টার মিলানের মুখোমুখি হবে তারা।