অজি বোলারদের দাপটে চতুর্থ দিনেই শেষ গ্রেনাডা টেস্ট। বার্বাডোজে প্রথম টেস্ট জয়ের পর গ্রেনাডা টেস্টেও জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো প্যাট কামিন্সের দল।
৭ উইকেটে ২২১ রানে রোববার চতুর্থ দিন শুরু করা অস্ট্রেলিয়া আর মাত্র ২২ রান যোগ করতেই বাকি সব উইকেট হারায়। প্রথম ইনিংসে পাওয়া ৩৩ রানের লিডসহ অজিদের পুঁজি দাঁড়ায় ২৭৬ রান।
যা তাড়া করতে নেমে মিচেল স্টার্কের গতি আর নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে দুই সেশনও টিকতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা, ম্যাচ হারে ১৩৩ রানে। হাতছাড়া করে সিরিজ।
সেই ১৯৯৫ সালে রিচি রিচার্ডসনের ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে স্যার ফ্র্যাঙ্ক ওরেল ট্রফি দেখলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। সেই থেকে আর হাতছাড়া করেনি। এই ৩০ বছরে ১৪ সিরিজের ১২টিই জিতেছে তারা, বাকি দু’টি ড্র।
সেন্ট জর্জেসে ৭ উইকেটে ২২১ রান তুলে পরশু তৃতীয় দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ২৬ রান নিয়ে দিন শুরু করে অ্যালেক্স ক্যারি বিদায় নেন ৩০ রানেই। লোয়ার অর্ডারও দলকে টানতে পারেনি বেশি দূর।
আগের দিনের দুই উইকেটের সাথে আরো দু’টি উইকেট যোগ করেন শামার জোসেফ। সিরিজের দুই টেস্টে তার উইকেট হলো ১৪টি।
২৭৭ রান করে জিততে হলে বাংলাদেশের রেকর্ড ভাঙতে হতো ক্যারিবীয়দের। ২০০৯ সালে সাকিবের নেতৃত্বে ২১৫ রান তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ, যা এই মাঠে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।
রেকর্ড রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং। দ্বিতীয় ওভারেই জন ক্যাম্পবেলকে শূন্য রানে ফেরান জশ হ্যাজলউড। তিনে নামা কেসি কার্থিকে (১০) দ্রুত ফেরান মিচেল স্টার্ক।
শততম টেস্ট খেলতে নামা ক্রেগ ব্রাফেট আবারো ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে ফেরার পর এবার ৭ রানে থেমেছেন। ব্রেন্ডন কিং ১৪ রানে ফিরলে ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর অধিনায়ক রোস্টন চেজ শাই হোপকে নিয়ে ৩৮ রানের জুটি গড়ে কিছুটা আশা দেখান। কিন্তু হোপ ১৭ রানে ফিরলে শেষ হয় তাদের প্রতিরোধ। চেজ আউট হোন ৩৮ রান করে।
শেষ দিকে ২৪ রান করেন শামার জোসেফ, যা কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ তিন উইকেটই নেন নাথান লায়ন। স্টার্কও নেন ৩ উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯৩ রান করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ক্যারি।