শঙ্কা অনেকটাই কেটেছে। ক্রিকেটার আর ক্রিকেট বোর্ড চাইলে সফর করতে পারবে পাকিস্তানে। বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যেই দিয়েছেন অনুমতি। কাগজপত্র হাতে এলেই শুরু হবে বাকি আনুষ্ঠানিকতা।

ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার প্রভাব বেশ ভালোই পড়েছে ক্রিকেটে। বিশেষ করে এশিয়ার ক্রিকেটে লেগেছে বড় ধাক্কা। যেখানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ। চলতি বছরেই উভয় দেশের সাথেই ছিল তাদের খেলা!

ভারত সিরিজ নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও তা মাঠে গড়ানোর সময় আছে বেশ। আগামী সেপ্টেম্বরে দেখা হওয়ার কথা ছিল দু’দলের। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা ছিল চলতি মাসেই।

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে প্রস্তুত হয়েই ছিল বাংলাদেশ দল। আগামী ২১ মে পাকিস্তানে পা রাখার কথা ছিল টাইগারদের। তবে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার তীব্রতায় সিরিজ পড়ে যায় হুমকির মুখে।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ২৫ মে, ২৭ মে, ৩০ মে, ১ জুন ও ৩ জুন। কিন্তু সফরটি নিয়ে শঙ্কা যেন কাটছেই না। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিসিবি।

তবে পাকিস্তান সিরিজে যেতে সবুজ সঙ্কত দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার, তবে অনুমতির কাগজ এখনো বিসিবিতে আসেনি। কাগজ এলেও প্লেয়ারদের কাছে জিজ্ঞেস করবে বোর্ড। এরপরই নির্ধারিত হবে সিরিজের ভাগ্য।

ক্রিকেটারদের যেতে আপত্তি না থাকলে নির্ধারিত সময়েই হবে সিরিজ, এমন তথ্যই জানিয়েছেন বিসিবির পরিচালক ইফতেখার মিঠু। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের সবুজ সঙ্কেত পেয়েছি। তবে আনুষ্ঠানিক চিঠিটা এখনো আসেনি, তবে সিদ্ধান্তটা হয়ে গেছে। চিঠি পাওয়ার পরই আমরা খেলোয়াড়দের সাথে কথা বলব।’

পিসিবি ১৩ মে সফরের নতুন সূচি পাঠিয়েছে বিসিবিকে। ২৫ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত সিরিজটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পিএসএল মাঝে স্থগিত থাকায় সিদ্ধান্তে বদল আসছে।

সিরিজ শুরুর দিনে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনাল থাকায় সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, প্রথম তিনটি টি-টোয়েন্টি হবে ২৭ মে, ২৯ মে ও ১ জুন ফয়সালাবাদে। আর ৩ ও ৫ জুন শেষ দুই ম্যাচ হবে লাহোরে।