সিঙ্গাপুরে আগামী ৩ মে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট থারমান শানমুগারত্নম মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনের রিট জারি করেছেন।

সিঙ্গাপুরের নতুন প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওংয়ের কার্যালয় এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে, আগামী ২৩ এপ্রিল মনোনয়ন দিবসের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী নিবন্ধন পত্র জমা দেয়ার জন্য নয়টি মনোনয়ন কেন্দ্রে যাবেন।

এই বছরের সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থীরা ৯৭টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ২০২০ সালে শহর-রাজ্যের নির্বাচনী সীমানায় নিয়মিত ছোটখাটো পরিবর্তনের পর সাধারণ নির্বাচনে আসন সংখ্যা ছিল ৯৩টি। গত বছরের মে মাসে প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউয়ের ছেলে লি সিয়েন লুংয়ের স্থলাভিষিক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওংয়ের নেতৃত্বে এই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ডিসেম্বরে ওংকে ক্ষমতাসীন পিপলস অ্যাকশন পার্টির (পিএপি) মহাসচিবও মনোনীত করা হয়।

সিঙ্গাপুরের কঠোরভাবে পরিচালিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পিএপির বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন প্রায় নিশ্চিত। স্বাধীনতার পর থেকে তাদের অবিচ্ছিন্ন নিয়ন্ত্রণ সাফল্যের জন্য একটি উচ্চ স্তর স্থাপন করেছে। ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পিএপি ৬১.২৪ শতাংশ ভোট এবং সংসদের ৯৩টি আসনের মধ্যে ৮৩টি আসন জিতেছিল। তবে ২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় দলের সমর্থন নয় শতাংশ কমেছে, যেখানে কট্টর বিরোধী ওয়ার্কার্স পার্টি (ডব্লিউপি) বাকি ১০টি আসন জিতেছে।

সূত্র : দ্য ডিপ্লোম্যাট