সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। বিতর্কিত ইসরাইলি ড্রুজ নেতা মোওয়াফাক তারিফের আহ্বানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটে।

ওই নেতা ড্রুজ সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে ইসরাইলকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানান।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ জানিয়েছেন, ড্রোন হামলায় দামেস্কের দক্ষিণে একটি ‘চরমপন্থী’ গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করা হয়েছে, যারা সাহনায়া শহরে ড্রুজদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল।

নেতানিয়াহু একে ‘সতর্কীকরণ অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সিরিয়ার সরকারকে বার্তা দেয়া হয়েছে যে ড্রুজদের সুরক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হবে।

সিরিয়ার জারামানায় ড্রুজ ও সুন্নি মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষে এক ডজনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়। একটি ড্রুজ ব্যক্তির বিতর্কিত অডিও রেকর্ডিংকে ঘিরে এই সহিংসতা শুরু হয়, যাতে ইসলামী ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের অবমাননা করা হয়।

সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রেকর্ডিংয়ের তদন্ত করছে এবং শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। গ্র্যান্ড মুফতি ওসামা আল-রিফাইও রক্তপাত বন্ধের আহ্বান জানান।

ড্রোন হামলার পর তারিফ বলেন, শিগগির পরিবর্তন আসছে। তিনি দাবি করেন ইসরাইল, সেনাবাহিনী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ড্রুজদের পাশে আছে।

লেবাননের ড্রুজ নেতা ওয়ালিদ জুম্বলাট সমালোচনা করে বলেন, ‘ইসরাইল ড্রুজদের কাজে লাগাতে চাইছে।’ এরপর তিনি ঐক্যবদ্ধ সিরিয়ার পক্ষে নিজেদের অবস্থান নেন। তুরস্কও ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং ইসরাইলকে অস্থিতিশীলতা উসকে দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছে।

এরদোগান জানান, এই প্রসঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে আলোচনায় বসবেন।

এদিকে ইসরাইলি মন্ত্রী স্মোট্রিচ বলেছেন, গাজা যুদ্ধ শেষ হবে যখন লাখ লাখ ফিলিস্তিনিকে বাস্তুচ্যুত করা হবে এবং সিরিয়াকে খণ্ড-বিখণ্ড করা হবে।

সূত্র : মিডল ইস্ট আই