দক্ষিণ রাফায় ফিলিস্তিনি পুরুষ, নারী ও শিশুরা একটি কাঁচা রাস্তা ধরে হাঁটছেন। হাতে সামান্য জিনিসপত্র নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। এমন দৃশ্য গাজার বেশিরভাগ জনগণকে বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার করুণ বাস্তবতায় ঠেলে দিয়েছে।

স্থানীয় সাংবাদিক মুস্তাফা গাবের। তিনি তার পরিবারের সাথে তাল আস-সুলতান ছেড়েছেন। এই পরিস্থিতিকে বর্ণনা করে বলেন, ‘এটি তো আসলে আগুন থেকে বাঁচার জন্য বাস্তুচ্যুতিকে মেনে নেয়া।’ তিনি জানান, ‘ইসরাইলি ট্যাঙ্ক ও ড্রোন হামলার আওয়াজ কাছাকাছি প্রতিধ্বনিত হওয়ার সাথে সাথে শত শত মানুষ প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের মধ্যে অনেক আহত রয়েছে। পরিস্থিতি খুবই কঠিন।’

আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ আবু তাহা জানান, রাতের আকস্মিক আক্রমণের ফলে অনেকেই পালানোর সুযোগ পাননি। তিনি আরো বলেন, তার বোন ও তার পরিবারের সদস্যরা ইসরাইলি বাহিনী বেষ্টিত রাফার একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন।

যুদ্ধ ও সহিংসতার এই বাস্তবতা গাজার সাধারণ মানুষের জন্য এক ক্রমাগত দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে, যেখানে নিরাপদ আশ্রয়ও অনেকের কাছে অধরা থেকে যাচ্ছে।

সূত্র : আল জাজিরা