ইয়েমেনের বন্দর নগরী হোদেইদার একটি আবাসিক এলাকায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। ইয়েমেনি গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ছয়জন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
মঙ্গলবার হাওয়াক জেলাকে লক্ষ্য করে করা এই হামলায় কয়েক ডজন আহতও হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজায় গণহত্যা অভিযান শুরু করার প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের হাউছি বিদ্রোহীরা ইসরাইলের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলা পুনরায় শুরু করে। এরপরই ১৫ মার্চ ওয়াশিংটন ইয়েমেনের বিরুদ্ধে বিমান অভিযান শুরু করে।
তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই ইয়েমেনের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে মার্কিন হামলা চলছে, যার মধ্যে যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জলাধার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ওয়াশিংটন এই হামলাগুলোকে ইয়েমেনের আশেপাশের জলসীমায় নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা হিসেবে দাবি করেছে।
তবে ইয়েমেন লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকিস্বরূপ মার্কিন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তারা কেবল ইসরাইলি-সংযুক্ত জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।
গাজা ২০২৩ সালের অক্টোবরে গণহত্যা শুরু হওয়ার পর ইয়েমেনি সামরিক বাহিনী লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ সেইসাথে অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে শুরু করে।
হাউছির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বুধবার বলেছেন, সেনাবাহিনী একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে, তেল আবিব অঞ্চলে একটি ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করেছে এবং বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস হ্যারি এস. ট্রুম্যানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
সূত্র : প্রেস টিভি