গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয় জানিয়েছে, ইসরাইলের সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্তের ফলে খাদ্য নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজার ২৪ লাখ জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশই মৌলিক খাদ্যসামগ্রীর অভাবে পড়েছে। কারণ খাদ্য সহায়তার বিতরণ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ পরিষ্কার পানির অভাবে রয়েছে। কারণ ইসরাইলি বাহিনী ৭১৯টি পানি কূপ ধ্বংস করেছে।

এছাড়া ৩৪টি হাসপাতাল এবং ৮০টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বর্তমানে সেগুলো বন্ধ রয়েছে। জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ধ্বংস হয়ে যাওয়া পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা বেড়েছে।

গণমাধ্যম কার্যালয় আরো বলেছে, ‘আমরা জাতিসঙ্ঘ, মানবাধিকার ও মানবিক সংস্থাগুলো এবং বিশ্বের স্বাধীন দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অবিলম্বে ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যাতে সীমান্ত খুলে দেয়া হয় এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশ করতে পারে। অন্যথায়, এই মানবিক সংকট দ্রুত দুর্ভিক্ষে পরিণত হবে এবং আধুনিক সময়ের এক নজিরবিহীন বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।’

সূত্র : আল জাজিরা