ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস বলেছে, গাজায় ইসরাইলের ভয়াবহ হামলা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই জানত। এটি তাই ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে নির্মূল যুদ্ধে তাদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
মঙ্গলবার ভোরে ইসরাইলের আকস্মিক হামলায় ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে অনেক শিশুও রয়েছে। একই দিনে হোয়াইট হাউস স্বীকার করেছে, গাজায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ পুনরায় শুরু করার আগে ইসরাইল তাদের সাথে পরামর্শ করেছিল।
হামাসের মুখপাত্র আব্দুল লতিফ আল-কানৌ বলেন, এই স্বীকৃতি ইসরাইলি দখলদারিত্বের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা ও ইসরাইলের প্রতি তাদের পক্ষপাতিত্বকে উন্মোচিত করে।
তিনি আরো বলেন, ‘দখলদারিত্বের প্রতি সীমাহীন রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থনের মাধ্যমে ওয়াশিংটন গাজায় গণহত্যা এবং নারী ও শিশুদের হত্যার সম্পূর্ণ দায় বহন করে।’
আল-কানৌ বলেন, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের আলোচনার জন্য নতুন শর্ত আরোপ করা।
তিনি আরো বলেন, হামাস চুক্তির প্রতি সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যদিও দখলদার সরকার তার দ্বিতীয় পর্যায়ে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তিনি গাজায় রক্তপাত অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান।
হামাসের আরেক সিনিয়র সদস্য সামি আবু জুহরি বলেন, ইসরাইলি সরকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে গাজার জনগণের রক্তে লেখা একটি নতুন চুক্তি চাপিয়ে দিতে চাইছে, যেখানে প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর আত্মসমর্পণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
সূত্র : ইরনা