সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, ‘ড্রোন নিয়ে প্রশিক্ষণের জন্য চীনে যাওয়া আমাদের প্রতিনিধিদল ফিরে এসে নিজস্ব প্রযুক্তিতে কাজ করবে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘চীনের সহযোগিতায় বাংলাদেশী প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা তাদের জ্ঞান বাংলাদেশের কাজে লাগাবে। তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নিজেদের গল্প ড্রোনের মাধ্যমে তৈরি করে দিয়ে দেশ ও বিদেশে প্রদর্শন করবে।’

বুধবার ঢাকার বারিধারায় চীন দূতাবাসে ড্রোন প্রশিক্ষণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান ও প্রেস কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘ড্রোন এখন গল্প বলার নতুন মাধ্যম। বর্তমানে ড্রোন নিয়ে বাংলাদেশে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে পরবর্তীতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বাংলাদেশে ড্রোন শো ও ড্রোন ডিসপ্লে নিয়ে অনেকে কাজ করবেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘টেকনোলজি ও আর্টের একটা ফিউশন। এটি ন্যারটিভ তৈরিরও অন্যতম অবলম্বন। সাম্প্রতিক সময়ে চীনের সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত ৬টি ড্রোনশো তরুণ প্রজন্মসহ সবার কাছে বিপুলভাবে জনপ্রিয় হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা তো আর বেশি দিন নাই দায়িত্বে। পরবর্তীতে যারা আসবে, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবেন।’

বাংলাদেশ-চীনের সাংস্কৃতিক বন্ধন দু-দেশের সম্পর্কে নতুন উদ্যম সৃষ্টি করবে জানিয়ে সাংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, ‘ড্রোন নিয়ে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রশিক্ষণে যাচ্ছে।’

চীনের সাংহাই ও গুয়াংজুতে মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণের যাবতীয় অর্থ চীন বহন করবে।

তিনি জানান, অচিরেই চিত্রকর্ম সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ নিতে ১৫ সদস্যের একটি টিম চীনে যাবে এবং তারা ফিরে এসে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে। মিউজিয়ামের প্রসারের ক্ষেত্রেও একটি টিম চীন যাবে।

উপদেষ্টা বলেন, ‘ট্র্যাডিশনাল মিডিয়া ও নিউ মিডিয়ার প্রসার এবং কালচারাল হেরিটেজ সংরক্ষণে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও চীনের মাঝে নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশের সাথে চীনের কালচারাল ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন থাকবে। পারস্পরিক সহযোগিতা এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।