রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় আর্কাইভস মিলনায়তনে শনিবার (১৬ আগস্ট) বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরাম ঢাকার ২০২৫-২০২৬ সালের নবনির্বাচিত উপদেষ্টা ও কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হযয়েছে। অভিষেকে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের সকল সদস্য এবং অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব ড. খন্দকার রাশেদুল হক।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২০২৪-এর জুলাই যুদ্ধে শহীদ মরহুম ইয়ামিনের বাবা মো: মহিউদ্দিন।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের মহাসচিব ও অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড-১, পিআরএল) মহঃ মনিরুজ্জামান।
সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগরে সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম।
ঢাকাস্থ মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা সমিতির সভাপতিসহ আরো অনেক বিশিষ্টজন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, পদ্মা পাড়ের জেলা কুষ্টিয়া। পদ্মা-গড়াইয়ের তীরে অবস্থিত বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা অবহেলিত এবং পিছিয়ে পড়া এলাকা। এ এলাকা উন্নয়নের জন্য বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামসহ অন্যান্য অ্যাসোসিয়েশন সম্মিলিতভাবে জোরালো ভূমিকা পালন করবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ২৪-এর শহীদ এবং যোদ্ধারা যে উদ্দেশ্যে তাঁদের জীবন, রক্ত ও অঙ্গ কুরবানী করেছেন, তা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের শপথ নিতে হবে।
বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরাম, ঢাকা একটি অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও কল্যাণমূলক সংগঠন, যা কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত। ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো:
১. ভ্রাতৃত্ব ও নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সুসম্পর্ক গড়ে তোলা;
২. কল্যাণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিতপূর্বক সদস্য ও তাঁদের পরিবারের জন্য সহায়তা ও সুযোগ তৈরি করা;
৩. সামাজিক দায়বদ্ধতা ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করে শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অবদান রাখা;
৪. কৃতী সদস্যদের সম্মাননা প্রদান ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা; এবং
৫. কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমাজের সেতুবন্ধন রচনার মাধ্যমে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ প্রতিফলিত করা।
ফোরাম বিশ্বাস করে যে ঐক্য, সহযোগিতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার কর্মকর্তারা জাতীয় পর্যায়ে পেশাগত উৎকর্ষতা ও সামাজিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।