রাজধানীর তিতুমীর কলেজে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হেলাল উদ্দিন নাঈম (২৬) নামে এক শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাঈম তিতুমীর কলেজ শাখার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইমারজেন্সি ও ক্রাইম সেলের সদস্য।

সোমবার (২৬ মে) দুপুরে দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সার্জারি বিভাগের ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি নেন।

আহত নাঈম বলেন, ‘আমি তিতুমীর কলেজ শাখার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ইমারজেন্সি ক্রাইম সেলের সদস্য। হল খোলার দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছিল। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারপিট শুরু করে। পরে আমি এগিয়ে গিয়ে মোবাইলে ভিডিও করছিলাম। ভিডিও শুরুর কয়েক সেকেন্ডের ভেতরে আমাকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বেধড়ক মারপিট করে। পরে আমাকে ভিসির রুমে নিয়ে আটকে রেখে আমার স্বীকারোক্তি নিতে চায়। পরে আমার সহযোদ্ধারা সেখান থেকে আমাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক আমাকে ভর্তি করে নেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি তিতুমীর কলেজে ১৭-১৮ সেশনের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র। তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমাম হোসেন, যুগ্ম-আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম, আরিফ মোল্লা, রিমু হোসেন, আহ্বায়ক সদস্য আল-আমিন, জহিরুল ইয়ামিন, রানা আহমেদসহ অনেকেই আমার ওপর হামলা চালায়। আমিসহ তিতুমীর কলেজের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এজন্যই কি আমরা জুলাই আন্দোলন করেছিলাম বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো: ফারুক জানান, তিতুমীর কলেজ থেকে আহত হওয়া এক শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেছেন।