খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সঙ্ঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও পরবর্তী পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষকদের সাথে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহেদুজ্জামান শেখ প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এ সময় সভায় শিক্ষকগণ ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি ভার্সিটির ছাত্র ও শিক্ষক যে মর্মান্তিক হামলা ও হেনস্থার স্বীকার হয়েছে তার বিচার এবং তদন্ত কমিটি যে প্রতিবেদন প্রদান করেছে তার আলোকে দোষীদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান। এছাড়া তারা এখন ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে যেসব মহল তৎপর সে সকল দুষ্কৃতিকারীদের অবিলম্বে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসারও দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় প্রথমে ভাইস-চ্যান্সেলর বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে সবপদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তা উপস্থাপন করেন এবং পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সভায় উপস্থিত সম্মানিত শিক্ষকগণকে তাদের মূল্যবান মতামত প্রদানের জন্য অনুরোধ করেন।
এরপর শিক্ষকরা তাদের বক্তব্যে উপরের দাবি তুলে ধরে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তকে সামনে রেখেই সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানান। এছাড়া সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তকে অবমূল্যায়ন করে কিছু শিক্ষার্থী তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আরো দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করেন।
এছাড়া ক্যাম্পাসের পাশের এক ব্যক্তির শিক্ষার্থীদের নামে দায়ের করা মামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুততম সময়ে ওই মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান। তারা কতিপয় ছাত্রের ভাইস-চ্যান্সেলর ও শিক্ষকদের উপর হামলা, অপমান, ও কটূক্তির প্রতিবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।