নোয়াখালীর সদর উপজেলার মান্নান নগর বাজারে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা মান্নান নগর বাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা মান্নান নগর বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীগন ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী, বাজার কমিটির নেতা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নূরনবী বাবুল, বাজার ব্যবসায়ী ডা: গোলাপ রহমান, ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক মো: ওমর ফারুক, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো: ইউছুফ, নুর আলম সওদাগর, মো: রাশেদ রেজা সেলিম, সমাজসেবক কামরুল হাসান রাজু, মো: শামিম উদ্দিন প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন গত শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে মান্নান নগর বাজারে হোরনের ‘চা’ দোকানের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে ১৬টি দোকান পুড়ে গেছে। গেল বছরও হোরনের চা দোকান থেকে এই বাজারে আগুন লাগে। ওই সময় ১৮টি দোকান পুড়ে যায়। ওই সময় ক্ষতিগ্রস্ত ও বাজারের ব্যবসায়ী কমিটি তাকে নিষেধ করেছে, এখানে চা দোকান না করে অন্য ব্যবসা করতে। হোরন কিছু দিন চা দোকান বন্ধ রাখে। পরবর্তী সময়ে প্রভাব খাটিয়ে সে আবার চা দোকান চালু করে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অভিযোগ হোরন পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়ে এ ব্যবসায়ীদের ক্ষতি সাধন করেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা হোরন থেকে এ ক্ষতিপূরণ দাবি করে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের মান্নান নগর বাজারে এ আগুন লাগে। এতে আগুনে পুড়ে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। খবর পেয়ে মাইজদী ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ও সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।