মেয়েকে বিয়ে না দেয়ায় একজন বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টার মধ্যে বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক জিতু ইসলাম (৪৩), তার সহযোগী শফিকুল হাসান বিপ্লব (২৮) এবং মতিউর রহমান মতি (৩০)।

বগুড়া সদর থানার ফুলবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আলমাস আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বগুড়া শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শিববাটি এলাকার বাসিন্দা রিকশাচালক শাকিল আহম্মেদের (৪০) কিশোরী মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন জিতু ইসলাম। মেয়ের বয়স ১৪ বছর এবং ছেলের বয়স বেশি হওয়ায় শাকিল মেয়েকে জিতুর সাথে বিয়ে দিতে রাজি হননি। এর প্রতিশোধ হিসেবে শনিবার দুপুরে জিতু ও তার সহযোগীরা শাকিলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। শহরের ফুলবাড়ী এলাকার করতোয়া নদীর ঘাটে তাকে পিটিয়ে রেখে যায়। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি (শাকিল) মারা যান।

উল্লেখ্য, জিতু ইসলাম আগে বগুড়া জেলা যুবলীগ সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটনের ক্যাডার ছিলেন। পরে তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হন। এই ঘটনার পর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান জিতু ইসলামকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করেছেন এবং আইনি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এই ঘোষণার পরই পুলিশ গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করে।