সিলেট ব্যুরো

সিলেটে একদিনে ১৭ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ সময় ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান র‌্যাব-৯’র অধিনায়ক মঞ্জুর করিম।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে বাদল মিয়া কাউছার (২৭), সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ডুলকর গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে সুহেল আহম্মদ রকি (২০), নগরীর কোতোয়ালি থানার সওদাগরটোলার আলমগীর মিয়ার ছেলে মো: সাজা মিয়া, সুনামগঞ্জ সদরের পূর্ব বীরগাও গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে তায়েফ আহম্মদ (২৬), সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জের শেখ খলিল মিয়ার ছেলে শেখ মনির উরফে কালা মনির (৩০), ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানার কুনিহাটি গ্রামের রনজু মিয়ার ছেলে খোরশেদ মিয়া (২৭), সুনামগঞ্জের ছাতক থানার টুকেরগাঁওয়ের সামছুল হকের ছেলে আকাশ হোসেন (২১), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার দক্ষিণ মোড়াইল গ্রামের মন্নাফ মিয়ার ছেলে মো: শাহীন (৩২), একই জেলার সদর থানার কান্দিরপাড় গ্রামের সফিক মিয়ার ছেলে সায়মন (২২), একই জেলার সদর থানার কাজিরপাড়া গ্রামের মন মিয়ার ছেলে রমজান আল আমিন (২১), একই জেলার বিজয়নগর থানার ছত্তরপুর গ্রামের শহীদ সিকদারের ছেলে মাসুম মিয়া (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার ফুলবাড়ী গ্রামের হানিছ মিয়ার ছেলে আশাদুল মিয়া (৪২), একই থানার কাকিয়াপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে শামীম মিয়া (৩০), সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানার পশ্চিম তেঘরিয়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মো: বাদশা মিয়া (৩০), একই জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানার শিলদুয়া গ্রামের মরহুম সোনা মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৪৮), সদর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামের মরহুম আব্দুল মুকিতের ছেলে আজাদ (৩০) ও বিশ্বম্ভরপুর থানার মহকুড়া গ্রামের আজিজ মিয়ার ছেলে সুমন (২২)।

আটক সকল আসামির বিরুদ্ধে একাধিক ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

র‌্যাব জানায়, ‘আসন্ন ঈদে সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের চাঁদাবাজি, ছিনতাইকারীর তৎপরতা বেড়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে র‌্যাব। গ্রেফতার ব্যক্তি সবাই চিহ্নিত ছিনতাইকারী। তারা মাদকের টাকা জোগাড় করতেই এ অপকর্ম চালাতো। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’