বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘চা শিল্প দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পারিবারিক বৈষম্যের শিকার হয়ে তারা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। চা শিল্পের শ্রমিকদের মানবেতর জীবন থেকে মুক্তি দিতে বিএনপি যথাযথ উদ্যোগ নেবে।’

শনিবার (২২ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে সাহেব বাজার এলাকায় সিলেট সদর উপজেলার চা শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এক হাজার ৬০০ চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে জেলা ও মহানগর বিএনপি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন জরুরি। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে শ্রমিকদের সম্মানজনক বেতন কাঠামো, উন্নত আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের দৈনিক মজুরি অত্যন্ত কম, আবাসন ব্যবস্থা অনুন্নত, চিকিৎসাসেবা অপ্রতুল, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিত মজুরিও তারা পান না। এসব সংকটে বিএনপি শ্রমিকদের পাশে থাকবে এবং তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদি।

এ সময় তিনি বলেন, ‘বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। বন্যা, খরা কিংবা সঙ্কটে সবসময় আমরা সাধারণ মানুষের পাশে থাকি। চা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সরকার, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

খাদিমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক কোহিনূর আহমেদ ও আবুল কাশেম, বিমানবন্দর থানা বিএনপির সদস্য সচিব সরোয়ার রেজা, সাবেক ছাত্রদল নেতা মুস্তফা কামাল পাশা মওদুদ, জেলা বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মাহবুব আলম, মহানগর বিএনপির সহ-স্থানীয় সরকার সম্পাদক মিনহাজ পাঠান, দিলোয়ার হোসেন (চেয়ারম্যান)।

এ সময় কবির আহমদ, আবু হানিফ, করছ উদ্দিন, জহির উদ্দিন, সাইদুর রহমান, সুরমান আলী, আপ্তাব উদ্দিন, ঈমাম উদ্দিন, আলাল আহমদ, সামিম আহমদসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।