মুমিনের ত্যাগ ও কুরবানির মধ্যেই দ্বীন প্রতিষ্ঠার সফলতা নিহিত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, যুগে যুগে নবী-রাসুল ও সাহাবায়ে কেরাম দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জীবন ও সম্পদ আল্লাহর পথে উৎসর্গ করেছেন। ইসলামের পতাকা সমুন্নত রাখতে বর্তমান সময়েও ত্যাগ, কোরবানি ও আত্মত্যাগের প্রয়োজন রয়েছে।
নগরীর টাওয়ার ইন ইন্টারন্যাশনাল মিলনায়তনে রাজ্জাক ক্লাবের মাসিক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। এবারের সেমিনারের বিষয় ছিল ‘মুমিনের ত্যাগ ও কোরবানি: একটি নিবিড় বিশ্লেষণ’।
সেমিনারে মূল আলোচক ছিলেন ড. শায়খ মুহাম্মদুল হাসান। প্রধান অতিথি ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের কোরআনিক সায়েন্স অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. বি এম মফিজুর রহমান আল আজহারী। প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. শফিকুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যের পর রাজ্জাক ক্লাবের সভাপতি ডা. মুহাম্মদ ওমর ফারুক সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) পদে পদোন্নতি লাভ করায় মরহুম সায়েদুদ্দিন আহমদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা ক্রেস্ট ও মানপত্র প্রদান করা হয়।
এ সময় ক্লাবের আজীবন সদস্য পদ্মা অয়েল কোম্পানির কর্মকর্তা সায়েদুদ্দিন আহমদ এবং সমাজসেবক দৌলত আহমদের স্মরণে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। প্রয়াতদের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করা হলে অনুষ্ঠানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ শফিউল আলম, ড. মুফতি এম এম জুবায়ের হাসানী, বিশিষ্ট রাজনীতিক আবদুর রহমান চৌধুরী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ, সমাজসেবক আবু বকর চৌধুরী, চট্টগ্রাম জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সমাজসেবক কাজী গোলাপ রহমানসহ রাজ্জাক ক্লাবের কর্মকর্তা ও সদস্যরা।
এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক ও সমাজসেবকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সেমিনারের শেষে মরহুম সায়েদুদ্দিন আহমদ ও দৌলত খানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।