সিলেটে মেট্রোপলিটন কারাগারে উচ্চ আদালতের নির্দেশে বিয়ের পিড়িতে বসেছে তরুণ-তরুণী। গত বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরের দিকে উভয়পক্ষের সম্মতি ও তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে পাঁচ লাখ টাকা মোহরানা নির্ধারণে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়। এ সময় তাদের বিয়ের পড়ান কাজী সজিব আহমেদ তালুকদার।
সিলেট মেট্রোপলিটন কারাগারের জেলার আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে দৈনিক নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের বিয়ে হয়েছে। এ সময় কারাগারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বর-কনের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
বিবাহিত তরুণ-তরুণীরা হলেন সুনামগঞ্জের দিরাই থানার জাহের উদ্দিনের মেয়ে হিজবুন্নাহার আক্তার মিতা (২২) ও সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার কালাশহর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে শিমুল আহমেদ (২৭)।
কারা সূত্রে জানা গেছে, ‘প্রেম ও ঘনিষ্ঠতার একপর্যায়ে প্রেমিকা হিজবুন্নাহার আক্তার মিতা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। তখন বিয়ের জন্য চাপ দিলে প্রেমিক শিমুল আহমেদ রাজি না হয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় প্রেমিকা মিতা শাহপরান থানায় মামলা করলে ওই মামলায় শিমুলকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। সম্প্রতি শিমুল জামিনের জন্য আবেদন করলে উচ্চ আদালত তাদের দু’জনের বিয়ের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী উভয়পক্ষের সম্মতিতে ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কারাগারে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের নির্ধারিত কাজী সজীব আহমেদ তালুকদার দৈনিক নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘উচ্চ আদালতের নির্দেশে ও কারা কর্তৃপক্ষের অনুরোধে কারাগারের অভ্যন্তরে এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় উভয়ের সম্মতির পাশাপাশি তাদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।’