শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় চাঞ্চল্যকর নারী পোশাককর্মী রোকসানাকে (২০) গলা কেটে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা তার স্বামী মো: সোহাগকে (২৬) রংপুর থেকে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪,সিপিসি-২, সাভার ও র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান র্যাব-৪, সিপিসি-২ নবীনগর কোম্পানি কমান্ডার মেজর জালিস মাহামুদ খান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, বিয়ের পর থেকে সোহাগ তার স্ত্রী রোকসানাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তাদের পাশের রুমের ভাড়াটিয়া মহিমা আক্তার রোকসানার মারা গেছে বলে তার বড় বোন রওশনারাকে মোবাইলে ফোনে অবহিত করে। খবর পেয়ে তার বড় বোন রওশনারা আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ির ভাড়া বাড়িতে গিয়ে তার শরীরে বিভিন্ন দাগ, গলায় কাটা ও আগুনে পুড়া অবস্থায় রোকসানার লাশ পড়ে আছে দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে রোকসানার বড় বোন হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে।
র্যাব আরো জানায়, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-৪, সিপিসি-২, নবীনগর এবং র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা যৌথ আভিযানিক দল রংপুরের মিঠাপুকুর থানাধীন ইমাদপুর তালপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোকসানা হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা তার স্বামী সোহাগকে গ্রেফতার করে।
তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে র্যাবের জোড়াল অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।