গাজীপুরে জমি দখল করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন যুবলীগ নেতা মেজবাহ উদ্দিন সরকার রুবেল। জমি দখল করতে গিয়ে জনরোষ থেকে রক্ষা পেতে জাতীয় জরুরি পরিষেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়েছিলেন তিনি। পরে পুলিশ তাকে জনতার কবল থেকে উদ্ধার করে চাঁদাবাজি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেফতার দেখায়।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে দলবল নিয়ে টঙ্গীর আরিচপুরে জমি ও বসতবাড়ি দখল করতে গিয়ে জনতার হাতে পাকড়াও হন গাজীপুর মহানগরের এই যুবলীগ নেতা।
মেজবাহ উদ্দিন সরকার রুবেল বিগত দিনে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে এবং সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে গাজীপুর-২ নির্বাচনী এলাকায় বেশ প্রচার-প্রচারণায় ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেজবাহ উদ্দিন সরকার রুবেল উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মঙ্গলবার দুপুরে দুই শতাধিক ভাড়াটে দাঙ্গাবাজ লোক নিয়ে টঙ্গীর আরিচপুরে বিরোধপূর্ণ একটি জমি ও বসতবাড়ি দখল করতে যান। এসময় প্রতিপক্ষের লোকজন স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদেরকে ধাওয়া দেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে রুবেল সরকার পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা তাকে ধরে একটি কক্ষে আটকে মারধর করে। এসময় জাতীয় জরুরি পরিষেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে থানায় জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল জমি ও বাড়ি দখলের ঘটনাটির দায় স্বীকার করেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ক্রাইম-দক্ষিণ) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, চাঁদাবাজি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় মেজবাহ উদ্দিন সরকার রুবেলকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মহানগর দক্ষিণ গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার অশোক কুমার পাল জানান, রুবেলকে বুধবার আদালতে পাঠানো হবে।