গাজীপুরে রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একজন নিহত এবং শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আরো চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) মহানগরীর বাসন থানাধীন মোগড়খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বাসন থানার এসআই সজিব খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত সীমা আক্তার (৩০) ময়মনসিংহ জেলা সদরের ঘাগড়া এলাকার চান মিয়ার মেয়ে ও আলহাজ উদ্দিনের স্ত্রী।
বাসন থানার এসআই সজিব খান ও স্থানীয়রা জানান, মোগড়খালের মোল্লা মার্কেট এলাকার জনৈক নুরুল আমিনের বাসায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভাড়া থাকেন কয়েক শ্রমিক। রোববার সন্ধ্যার পর কাজ শেষে তারা বাসায় ফেরেন। রাতে রান্না করার জন্য চুলায় দিয়াশলাই জ্বালানোর সাথে সাথে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় আগুনে দগ্ধ হন সীমা আক্তার (৩০), পারভিন আক্তার (৩৫) ও তার শিশু ছেলে আয়ান (দেড় বছর), তাসলিমা বেগম (৪০) ও তার মেয়ে তানজিলা বেগম।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে দগ্ধ ওই পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গার্মেন্টসকর্মী আলহাজ উদ্দিনের স্ত্রী সীমা আক্তার সোমবার দুপুরে মারা যান। তার শরীরের ৯০ ভাগ দগ্ধ হয়েছিল।
এসআই সজিব খান আরো জানান, গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে নির্গত গ্যাস ঘরে জমে ছিল। রান্নার জন্য দিয়াশলাই জ্বালানোর সাথে সাথে ওই গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে এসে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, এদের মধ্যে পারভিন আক্তার ৩২ শতাংশ, তানজিলা বেগম ৯০ শতাংশ, তাসলিমা বেগম ৯৫ শতাংশ এবং শিশু আয়ানের শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে চিকিৎসকগণ জানিয়েছেন। দগ্ধ তাসলিমা বেগম পাঁচমাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।