কুষ্টিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় আহত অন্তত ২০ জনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো শহরজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

রোববার (১৬ মার্চ) ইফতারের পর শহরের সরকারি কলেজ মাঠের পাশে অবস্থিত শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি পাঠাগারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গেল রোববার ইফতারের পর জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের নেতাকর্মীরা শহরের সরকারি কলেজ মাঠের পাশে অবস্থিত শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি পাঠাগারের সামনে বসে ছিল এমন সময় এক দল সন্ত্রাসী আতর্কিত তাদের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। এতে ২০ জনের মতো আহত হয়। আহতদের সাথে সাথে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।

আহতদের মধ্যে আছেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান (২৫), সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান (২২) জাতীয় নাগরিক কমিটির জেলা সদস্য সুলতান মারুফ তালহা (২৮), আলী আহসান মুজাহিদ (৩২), সুলাইমান হোসেন (২০), হৃদয় (২০), ইমন (২৩), ইব্রাহিম (২২), কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের আহ্বায়ক জুবায়ের আহসান (২৩), সরকারি কলেজের সদস্য সচিব আফ্রিদি (২৪), আলভী (২২), আয়াসকে (২৬) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাগরিক কমিটির সদস্য সুলতান মারুফ তালহা জানান, ‘আমরা ইফতার ও নামাজ শেষে আবরার স্মৃতি পাঠাগারের সামনে বসেছিলাম। এমন সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে বহিস্কৃত বিপুল, আলমাস, আয়াসের নেতৃত্বে শতাধিক দেশীয় অস্ত্রধারী আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমিসহ ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। পরে আমাদের ছেলেরা সংবদ্ধ হয়ে ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের জেলা সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘আমিসহ আরো অনেকে রক্তাক্ত জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। রাতেই খবর পেয়ে মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশ সদস্যরা কলেজ মাঠ ও হাসপাতাল এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।’