আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার হতদরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে ১০ কেজি করে সিদ্ধ/আতপ চাল বিতরণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের হতদরিদ্র তালিকাভূক্ত নারী ও পুরুষ প্রত্যেকে ঈদের আগে ১০ কেজি করে চাল স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন অফিস থেকে বরাদ্দ পাচ্ছেন। কিন্তু সরকারের বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী অধিক জনসংখ্যা বিশিষ্ট পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দ চাল বিতরণ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে।

বুধবার (২১ মে) পৌরসভার সভাকক্ষে বগুড়া ভিজিএফ কমিটির এক সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

বগুড়া পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, বগুড়া পৌরসভা দেশের সবচেয়ে বড় পৌরসভা। এখানে ২১টি ওয়ার্ডে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস করেন এবং ভোটার তিন লাখের বেশি। কিন্তু সরকারের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দেশের বড় ও ছোট সকল পৌরসভায় একই পরিমাণ বরাদ্দ দেয়া হয়। তাই ১০ লাখ মানুষের এ পৌরসভায় যেমন বরাদ্দ ৪ হাজার ৬২১ জনের তেমনি ‘ক’ শ্রেণীর পৌরসভা জেলার শেরপুর, সান্তাহার, নন্দীগ্রাম ও দুপচাঁচিয়াতেও একই পরিমাণ বরাদ্দ। অথচ এ সব পৌরসভায় জনসংখ্যা ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজারের বেশী নয়। তাই জনসংখ্যা অনুপাতে এই বরাদ্দ দেয়া হলে বগুড়া পৌরসভার মতো বড় পৌরসভাগুলোকে বিপাকে পড়তে হয় না বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা।

বগুড়া পৌরসভার ভিজিএফ কমিটির সভা পৌরসভার সভাকক্ষে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শাহজাহান আলম রিপনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, বগুড়া পৌরসভায় ৪ হাজার ৬২১জনের জন্য ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জনসংখ্যা অনুপাতে চাল বরাদ্দ দেয়া হলে আরো বেশী লোককে দেয়া সম্ভব হতো। তবুও যা বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা ১ জুনের মধ্যে হতদিরদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হবে। এ কাজে তিনি কমিটির সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করেন।