শেষ হলো ফ্লুমিনেন্সের স্বপ্নযাত্রা। শেষ চারেই থামতে হলো তাদের। ঘরের ছেলে ‘পেদ্রোর’ কাছে হেরে গেছে তারা। ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটাকে আক্ষেপে পুড়িয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছে চেলছি।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে ক্লাব বিশ্বকাপের প্রথম সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হয় চেলসি ও ফ্লুমিনেন্স। যেখানে ২-০ গোলে শেষ হাসি হেসেছে প্রিমিয়ার লিগের দলটি।

জয়ের নায়ক জোয়াও পেদ্রো। সদ্যই চেলসিতে যোগ দেয়া এই ফুটবলার প্রথমবার শুরুর একাদশে জায়গা পেয়েই হয়ে উঠলেন নায়ক। জোড়া গোল করলেন তিনি। তবে উদযাপন করেননি পেদ্রো।

শৈশবে ফ্লুমিনেন্সের হয়েই পেশাদার ফুটবলে যাত্রা শুরু করেন পেদ্রো। যেই ক্লাব একসময় তার ‘নিজের বাড়ির’ মতো ছিল, তাদের বিপক্ষে গোল করে উদযাপন করেননি তিনি।

ম্যাচ শুরুর ১৮ মিনিটেই জালের দেখা পান পেদ্রো। প্রতিপক্ষের দুর্বলতায় বক্সের বাইরে বল পেয়ে নেতোর সাথে পাস বিনিময় করে দলকে এগিয়ে নেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

২৬তম মিনিটে পাল্টা জবাব দেয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায় ফ্লুমিনেন্স; কিন্তু হারকিউলিসের শট চেলসি কিপার রবার্ট সানচেজকে পরাস্ত করলেও গোললাইন থেকে ফেরান মার্ক কুকুরেল্লা।

আর ৩৬ মিনিটে রেফারি ফ্লুমিনেন্সের পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজালেও রিভিউতে সিদ্ধান্ত পাল্টান। ফলে সমতায় ফেরা হয়নি ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটির। পিছিয়ে থেকেই যায় বিরতিতে।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধে গোল এসেছে ৫৬ মিনিটে। এনজো ফার্নান্দেসের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢোকেন পেদ্রো। তারপর লক্ষ্য স্থির করে জালে বল জড়ান তিনি। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় চেলসি।

শেষ দিকে ঘর সামলানোয় বাড়তি মনোযোগ দেয় চেলসি। সুযোগে আক্রমণে চাপ বাড়ায় ফ্লুমিনেন্স। তবে ভাগ্য বদলায়নি।

ফাইনালে চেলসি মুখোমুখি হবে আজ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়া প্যারিস সেন্ট জার্মেইন ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার বিজয়ীর সাথে। যেখানে জিততে পারলেই চেলসি জিতবে দ্বিতীয় ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপা।